উন্নয়ন-কর্মসংস্থান-বাণিজ্যিক সহযোগিতাই গুরুত্বপূর্ণ: দীনেশ ত্রিবেদী

24 August, 2026

প্রকাশের সময়: 01:34 pm, 24th Aug, 2026

সর্বশেষ আপডেট: 01:35 pm, 24th Aug, 2026

উন্নয়ন-কর্মসংস্থান-বাণিজ্যিক সহযোগিতাই গুরুত্বপূর্ণ: দীনেশ ত্রিবেদী

দুই প্রতিবেশী দেশের সাধারণ মানুষের উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও সমৃদ্ধির স্বার্থে বাণিজ্যিক সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়াই এখন বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

এছাড়াও বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রাজনৈতিক ইস্যু থাকলেও তা যেন দুই দেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আটকে না দেয়, এমন কথাও জানিয়েছেন তিনি।

বাংলাদেশ সচিবালয়ে সোমবার (২৪ আগস্ট) বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দীনেশ ত্রিবেদী এ সব কথা বলেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক, দুটি দিকই রয়েছে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রাজনৈতিক ইস্যু ও মতপার্থক্য থাকবে। তবে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা মূলত জীবনমানের উন্নয়নকে ঘিরে।

তিনি বলেন, মানুষ চাকরি চায়, ভালো শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা চায়, ভালো রাস্তা ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ চায়। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং বাণিজ্য সম্প্রসারণের মাধ্যমেই এসব চাহিদা পূরণের সুযোগ তৈরি করা সম্ভব।

এ প্রসঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, আসুন, আমরা ব্যবসায়িক সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাই, রাজনীতি তার নিজের পথে চলবে।

দুই দেশের সম্পর্ককে আরো টেকসই করতে পারস্পরিক নির্ভরশীলতার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, পারস্পরিক নির্ভরতাই দীর্ঘমেয়াদে একটি কার্যকর সমাধান হতে পারে।

তিনি বলেন, উন্নয়নের প্রয়োজনে বাংলাদেশ যেমন ভারতের ওপর নির্ভর করবে, তেমনি ভারতও বাংলাদেশের ওপর নির্ভর করবে। পারস্পরিক এই নির্ভরতা দুই দেশের মানুষকে আরো কাছাকাছি আনতে পারে এবং একটি পরিবারের মতো সম্পর্ক গড়ে তুলতে সহায়ক হতে পারে। তবে এই সম্পর্কের ভিত্তি হতে হবে সমতা।

বাংলাদেশ ও ভারত দুটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র। এখানে কেউ বড় কিংবা ছোট নয়, উভয় দেশই সমান উল্লেখ করে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, সেই সমতার ভিত্তিতেই পারস্পরিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।

দুই দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীকে ভবিষ্যত সম্পর্কের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবেও উল্লেখ করেন তিনি।

তার মতে, বাংলাদেশ ও ভারতের তরুণদের মধ্যে বিপুল সম্ভাবনা ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে। রাষ্ট্রগুলোর দায়িত্ব হলো- তাদের জন্য সেই সম্ভাবনা কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি করা।

তিনি বলেন, দুই দেশের মানুষ মেধাবী। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের অনেক আকাঙ্ক্ষা রয়েছে। তাদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও উন্নত ভবিষ্যত নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পরিবেশ তৈরি করা দুই দেশেরই দায়িত্ব।

শান্তি ও স্থিতিশীলতার সঙ্গে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির সম্পর্ক তুলে ধরে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, সাধারণ মানুষের চাওয়া খুব বেশি নয়। তারা মূলত শান্তিতে থাকতে চান। আর শান্তি থাকলেই সমৃদ্ধির পথ তৈরি হয়। বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশেই তরুণ জনগোষ্ঠীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। ফলে নীতিনির্ধারণের সময় তাদের ভবিষ্যতকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

বাণিজ্যিক সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্র হিসেবে পোশাক খাতের কথাও তুলে ধরেন ভারতীয় হাইকমিশনার। বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে এ খাতে উৎপাদন বাড়ানো এবং পারস্পরিক সক্ষমতাকে কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

উন্নয়ন-কর্মসংস্থান-বাণিজ্যিক সহযোগিতাই গুরুত্বপূর্ণ: দীনেশ ত্রিবেদী

দুই প্রতিবেশী দেশের সাধারণ মানুষের উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও সমৃদ্ধির স্বার্থে বাণিজ্যিক সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়াই এখন বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

এছাড়াও বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রাজনৈতিক ইস্যু থাকলেও তা যেন দুই দেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আটকে না দেয়, এমন কথাও জানিয়েছেন তিনি।

বাংলাদেশ সচিবালয়ে সোমবার (২৪ আগস্ট) বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দীনেশ ত্রিবেদী এ সব কথা বলেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক, দুটি দিকই রয়েছে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রাজনৈতিক ইস্যু ও মতপার্থক্য থাকবে। তবে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা মূলত জীবনমানের উন্নয়নকে ঘিরে।

তিনি বলেন, মানুষ চাকরি চায়, ভালো শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা চায়, ভালো রাস্তা ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ চায়। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং বাণিজ্য সম্প্রসারণের মাধ্যমেই এসব চাহিদা পূরণের সুযোগ তৈরি করা সম্ভব।

এ প্রসঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, আসুন, আমরা ব্যবসায়িক সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাই, রাজনীতি তার নিজের পথে চলবে।

দুই দেশের সম্পর্ককে আরো টেকসই করতে পারস্পরিক নির্ভরশীলতার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, পারস্পরিক নির্ভরতাই দীর্ঘমেয়াদে একটি কার্যকর সমাধান হতে পারে।

তিনি বলেন, উন্নয়নের প্রয়োজনে বাংলাদেশ যেমন ভারতের ওপর নির্ভর করবে, তেমনি ভারতও বাংলাদেশের ওপর নির্ভর করবে। পারস্পরিক এই নির্ভরতা দুই দেশের মানুষকে আরো কাছাকাছি আনতে পারে এবং একটি পরিবারের মতো সম্পর্ক গড়ে তুলতে সহায়ক হতে পারে। তবে এই সম্পর্কের ভিত্তি হতে হবে সমতা।

বাংলাদেশ ও ভারত দুটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র। এখানে কেউ বড় কিংবা ছোট নয়, উভয় দেশই সমান উল্লেখ করে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, সেই সমতার ভিত্তিতেই পারস্পরিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।

দুই দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীকে ভবিষ্যত সম্পর্কের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবেও উল্লেখ করেন তিনি।

তার মতে, বাংলাদেশ ও ভারতের তরুণদের মধ্যে বিপুল সম্ভাবনা ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে। রাষ্ট্রগুলোর দায়িত্ব হলো- তাদের জন্য সেই সম্ভাবনা কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি করা।

তিনি বলেন, দুই দেশের মানুষ মেধাবী। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের অনেক আকাঙ্ক্ষা রয়েছে। তাদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও উন্নত ভবিষ্যত নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পরিবেশ তৈরি করা দুই দেশেরই দায়িত্ব।

শান্তি ও স্থিতিশীলতার সঙ্গে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির সম্পর্ক তুলে ধরে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, সাধারণ মানুষের চাওয়া খুব বেশি নয়। তারা মূলত শান্তিতে থাকতে চান। আর শান্তি থাকলেই সমৃদ্ধির পথ তৈরি হয়। বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশেই তরুণ জনগোষ্ঠীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। ফলে নীতিনির্ধারণের সময় তাদের ভবিষ্যতকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

বাণিজ্যিক সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্র হিসেবে পোশাক খাতের কথাও তুলে ধরেন ভারতীয় হাইকমিশনার। বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে এ খাতে উৎপাদন বাড়ানো এবং পারস্পরিক সক্ষমতাকে কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

শেয়ার করুন!