উৎসবমুখর পরিবেশে ও কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। তবে সকালে ভোটার উপস্থিতি কম দেখা যায়।
এর আগে বুধবার নির্বাচন কমিশন ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভোটগ্রহণের জন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা করে। আসনটির ১৮৫টি কেন্দ্রের প্রতিটিতে ব্যালট পেপার, ব্যালট বাক্সসহ যাবতীয় নির্বাচনি সরঞ্জাম নিরাপদে পৌঁছে দেওয়া হয়।
আসনটিতে ৫ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। অন্যদিকে, ১১ দলীয় জোটের জামায়াত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেনের প্রতীক দাঁড়িপাল্লা।
এ ছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আব্দুল আলিম নিজামী বটগাছ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. খাদেমুল ইসলাম হাতপাখা এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হোসাইন মোহাম্মদ ওমর ফারুক ডাক প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এদিকে, প্রতিপক্ষের লোকজনের ওপর হামলা, ভয়ভীতিসহ নানা বিষয় নিয়ে ২ প্রার্থী পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছেন।
নির্বাচন বর্জনের কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানান জামায়াতের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন। তবে নির্বাচনি প্রচারণায় বাধা, নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্বাচনি কাজে ব্যবহারের অভিযোগ করেছেন তিনি।
অন্যদিকে, উপনির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ ও বিতর্কিত করতে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ করা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম জানান, এ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৫ হাজার ৮৫৩ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫৭ হাজার ২১৯ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৪ জন। এ ছাড়া পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে নিবন্ধন করেছেন ২৮৭ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ২৪৯ জন এবং নারী ৩৮ জন।
ভোটগ্রহণে ১৮৫টি কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ৫ হাজার ৩০০ সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ভোটাররা যাতে নির্ভয়ে ভোট দিতে পারেন, সে জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।








