সৌদি আরবের রিয়াদে ও দাম্মামে হুথিদের হামলায় নিহতদের ক্ষতিপূরণ ও আহতদের দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন দরকার জরুরী বলেন মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম সদস্য সচিব আকরাম হোসেন।
রিয়াদে আহত বাংলাদেশী নাগরিকদের দেখতে গত সেখানকার স্থানীয় কয়েকটি হাসপাতালে যান আকরাম।
আকরাম হোসেন নিজের পাঠানো এক ক্ষুদে বার্তায় বলেন, শুরুতে দূতাবাস থেকে সাড়া না পেলেও এখন দূতাবাসের কর্মকর্তারা যথেষ্ট আন্তরিকতার সাথে কাজ করছেন। এখন প্রয়োজন নিহতদের ক্ষতিপূরণ ও আহতদের দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা ও পূনর্বাসন। এখনো অনেকে আইসিউতে আছেন। সৌদি সরকার চিকিৎসায় মনোযোগ দিচ্ছেন। কিন্তু পূনর্বাসনের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারকে দায়িত্ব ও ব্যবস্থা নিতে হবে।
তিনি বলেন, রিয়াদে ও দাম্মামে হামলা হচ্ছে বেশি। এই দুই শহরে বাংলাদেশী নাগরিকদের নিরাপত্তার জন্য আলাদা ব্যবস্থা থাকা উচিত। সামনের দিনে যাতে আর কেউ আহত বা নিহত না হয় সেই ব্যবস্থা করতে হবে। দুঃখজনক হলো দূতাবাস থেকে এই ধরণের কোনো পদক্ষেপ এখনো পর্ন্ত গ্রহণ করা হয়নি।
আকরাম বলেন, প্রবাসীদের একটাই অভিযোগ তারা বিপদে পড়লে দূতাবাসের হেল্প পায়না বা পেতে দেরি হয়। যেখানে ইন্ডিয়ান বা ফিলিপিনের দূতাবাসের আরও বেশি সক্রিয়। এটা করা জরুরি। সরকারকে যে কোনো মূল্যে এমন ইকোসিস্টেম করতে হবে যাতে প্রবাসীরা ১ কলে বা টেক্সটে দূতাবাসের সাড়া পায়।
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ১৩ জন নিহত এবং তিন শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। এর মধ্যে বগুড়ার শাজাহানপুরের মো. শাহেদ আহম্মেদ এবং কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের মো. নাসরুল্লাহ বদরপুরি নিহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।








