পর্যটকদের জন্য ১ নভেম্বর থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপ ভ্রমণের সুযোগ উন্মুক্ত হলেও শুরু হচ্ছে না পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ছাড়পত্র ও দাপ্তরিক অনুমোদন প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ায় আরও তিন থেকে চার দিন পিছিয়ে যেতে পারে জাহাজ চলাচল শুরুর সময়। ফলে দ্বীপ ভ্রমণের অপেক্ষায় থাকা পর্যটকদের আরও কয়েক দিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের শহীদ এটিএম জাফর আলম সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী জানান, পরিবেশ-প্রতিবেশ সংরক্ষণ ও পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার নির্ধারিত শর্তগুলো পর্যটনসংশ্লিষ্ট অংশীজনদের যথাযথভাবে বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার পরই জাহাজ চলাচলের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, সেন্টমার্টিন ভ্রমণে সরকারের জারি করা শর্তের কোনো ব্যত্যয় যাতে না ঘটে, সে লক্ষ্যে ট্যুরিজম বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো কাজ করছে। পরিবেশ সুরক্ষার পাশাপাশি পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যটনসংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মধ্যে সচেতনতা তৈরির উদ্দেশ্যেই এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে।
আগামী ১ নভেম্বর থেকে সেন্টমার্টিন ভ্রমণে পর্যটকদের নিবন্ধনের জন্য ট্যুরিজম বোর্ডের ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত ওয়েবসাইট খুলে দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে, পর্যটকবাহী জাহাজ মালিকদের সংগঠন সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (স্কোয়াব) সাধারণ সম্পাদক হোসাইনুল ইসলাম বাহাদুর জানান, জাহাজ চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় কয়েকটি দাপ্তরিক অনুমোদন এখনো পাওয়া যায়নি। ফলে ১ নভেম্বর থেকে জাহাজ চলাচল শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না।








