আহসানউল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলা: আপিলের ৭ম দিনের শুনানি বুধবার

19 August, 2026

প্রকাশের সময়: 11:13 am, 19th Aug, 2026

সর্বশেষ আপডেট: 11:13 am, 19th Aug, 2026

আহসানউল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলা: আপিলের ৭ম দিনের শুনানি বুধবার

গাজীপুরের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি), আওয়ামী লীগ নেতা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা আহসানউল্লাহ মাস্টার হত্যার ঘটনায় আপিল আবেদনের ওপর সপ্তম দিনের শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ভূঞা জানিয়েছেন, হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় ৭ম দিনের মতো শুনানি হওয়ার কথা।

তিনি জানান, বুধবার  (১৯ আগস্ট) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন ৪ সদস্যের  বিচারপতির আপিল বিভাগের বেঞ্চে আপিলের বিষয়ে ৭ম দিনের মতো শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার ৬ষ্ঠ দিনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এদিন আদালতে আসামিপক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন- অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ভূঞা।

চলতি বছরের ২৮ জুলাই এ আপিলের শুনানি শুরু হয়।

মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক ও শ্রমিক নেতা আহসানউল্লাহ মাস্টার গাজীপুর-২ আসন থেকে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

২০০৪ সালের ৭ মে গাজীপুরের নোয়াগাঁও এমএ মজিদ মিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে সমাবেশের সময় প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় তাকে।

এ ঘটনায় করা হত্যা মামলার রায় ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল ঘোষণা করেন দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল। রায়ে মামলার আসামি বিএনপির নেতা নূরুল ইসলাম সরকারসহ ২২ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৬ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। রায়ের পর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুজন মারা যান।

২০০৫ সালে নিম্ন আদালতের রায়ের পর ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) ও জেল আপিল হাইকোর্টে আসে।

একই সঙ্গে রায়ের বিরুদ্ধে আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করেন।

শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ১৫ জুন হাইকোর্টের বিচারপতি (পরে প্রধান বিচারপতি) ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রায় ঘোষণা দেন।

রায়ে ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড, দুজনের যাবজ্জীবন বহাল রাখেন। আর সাজা কমেছে ৭ জনের। খালাস পেয়েছেন ১১ জন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- নুরুল ইসলাম সরকার, নুরুল ইসলাম দিপু, মাহবুবুর রহমান মাহবুব, শহিদুল ইসলাম শিপু (৪ জানুয়ারি কাশিমপুর কারাগারে মারা যান), হাফিজ ওরফে কানা হাফিজ ও সোহাগ ওরফে সরু। রায়ে টিপু ও নুরুল আমিনের যাবজ্জীবন দণ্ড বহাল থাকে।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৭ জনের দণ্ড কমে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। আসামিরা হলেন- মোহাম্মদ আলী, সৈয়দ আহমেদ, হোসেন মজনু, আনোয়ার হোসেন ওরফে শানু, রতন মিয়া ওরফে বড় রতন মিয়া, জাহাঙ্গীর ওরফে ছোট জাহাঙ্গীর, আবু সালাম ওরফে সালাম ও মশিউর রহমান ওরফে মনু।

মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস পেয়েছেন আমির হোসেন, জাহাঙ্গীর ওরফে বড় জাহাঙ্গীর, ফয়সাল, রনি মিয়া ওরফে রনি ফকির, খোকন, লোকমান ও দুলাল মিয়া।

শেয়ার করুন!