বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরুর পর প্রথমেই ভোট দিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ও ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।
পরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমানও ভোট দেন।
সংসদ সদস্যরা সারিবদ্ধভাবে তাদের ভোট ব্যালট বাক্সে জমা রাখছেন।
আনুষ্ঠানিকতার শুরুতেই প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন কীভাবে ভোট দিতে হবে, সে বিষয়ে নিয়মাবলি ভোটারদের জানিয়ে দেন।
এ সময় তিনি প্রার্থীদের নাম উল্লেখ করে বলেন, এক নম্বর প্রার্থী অলি আহমদ এবং দুই নম্বর প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
পরে ভোটারদের উদ্দেশে এই নির্বাচনের বিধিমালা সম্পর্কে জানান তিনি।
সিইসি বলেন, এবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন ১৯৯১ ও বিধিমালা ১৯৯১ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের এই ভোটগ্রহণ করা হবে।
নির্বাচন কর্মকর্তারা ব্যালট পেপার ভোটারদের কাছে নিয়ে যাবেন উল্লেখ করে সিইসি বলেন, ব্যালট পেপারের মুড়িতে আপনার নাম উদ্ধৃত আছে কিনা দয়া করে দেখে নেবেন।
ব্যালট পেপারে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম বাংলা বর্ণমালার আদ্যক্ষরের ক্রমানুসারে উদ্ধৃত আছে।
আপনার প্রার্থীকে তার নামের বিপরীতে নির্দিষ্ট স্থানে নিজের পূর্ণ নাম স্বাক্ষর করে ভোট প্রদান করবেন। নিজের পূর্ণনাম স্বাক্ষর করে ভোট প্রদান করবেন এবং সংরক্ষিত ব্যালট বাক্সের ভেতরে ব্যালটটি রাখবেন।
বিকাল ৫টায় ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পর ভোট গণনা করা হবে বলে জানান সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন।
তিনি বলেন, বৈধ ভোটের সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে যিনি সর্বাধিক ভোট পাবেন তাকে প্রাথমিক নির্বাচিত হিসেবে এখানেই জানিয়ে দেওয়া হবে। অতঃপর সরকারি গেজেটে ফলাফল ঘোষণা হবে।
এই পুরো প্রক্রিয়া চলাকালীন নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা ভোটারদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি।








