ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল থেকে বিক্ষিপ্তভাবে দিল্লির কেন্দ্রস্থলে জড়ো হতে শুরু করেন বিক্ষোভকারীরা। তবে শনিবারের মতোই পুলিশ তাদের সরিয়ে দিচ্ছে বলে জানা গেছে।
সিজেপি (ককরোচ জনতা পার্টি) ও বাম সংগঠনগুলি শনিবারের পর রোববার ফের বিক্ষোভের ডাক দেয়।
এ বিষয়ে বিবিসি জানাচ্ছে, শনিবার বিক্ষোভ ঠেকাতে অন্তত ৩ হাজার বিক্ষোভকারী আটক করা হয়। তবে বার্তাসংস্থা পিটিআই জানায় যে, আটক হওয়া ব্যক্তিদের সংখ্যা ৭ হাজারেরও বেশি।
মুক্তি পেলেন অভিজিৎ দীপকে ও ধ্রুব রাঠি
এদিকে, পুলিশি হেফাজতে নেওয়া সিজেপি নেতাদের রোববার সকাল ৯টার দিকে দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হয়।
এ বিষয়ে দিল্লি পুলিশ জানায়, শনিবার অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা ও শ্রী সৌরভ দাসকে বিএনএসএস-এর ধারা ১২৬/১৭০ অনুযায়ী আটক করা হয়। এ জন্য প্রয়োজনীয় সব আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে এবং তাদের রোববার তাদের দিল্লি ক্যান্টনমেন্টের এসইএম আদালতে হাজির করা হয়।
পুলিশের পক্ষ থেকে আরো জানানো হয় যে, শান্তি বজায় রাখা এবং সদাচরণ নিশ্চিত করার জন্য ১ বছরের মেয়াদে ৫০ হাজার টাকা মূল্যের একটি জামিন বন্ড ও শিওরিটি বন্ড জমা দেওয়া হয় এবং পরে তাদের এসইএম আদালতের নির্দেশে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
বিক্ষোভ অব্যাহত রাখার ডাক
সিজেপি যেমন রোববার বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে, তেমনই বাম ছাত্র সংগঠন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (আইসা)-র জাতীয় সভাপতি নেহা বোরাও বিক্ষোভের আহ্বান জানিয়েছেন।
ভারত সরকারকে উদ্দেশ করে বলেন, আপনারাই ঠিক করুন, সাধারণ মানুষকে জেলে পাঠাবেন নাকি জ্ঞানেশ কুমারকে। আমরা রোববারেও রাস্তায় নামবো। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং এসআইআর বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করবো।
অভিজিৎ দীপকের দিদিমা’র মৃত্যু
দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া জানাচ্ছে, অভিজিৎ দীপকের দিদিমা মারা গেছেন। সে কারণে তিনি আটকাবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়ার পর রোববার দুপুরের দিকে নিজের বাড়ির উদ্দেশে রওয়ানা হয়েছেন।
তিনি এক বার্তায় বলেন, দিদিমা মারা যাওয়াতে আমি বাড়ির উদ্দেশে রওয়ানা হচ্ছি। আশুতোষ ও সৌরভ দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানাবে। সারা পৃথিবী দেখছে, কী ঘটেছে!








