স্বাভাবিকভাবেই ৩০ বছর বয়সের পর থেকে ডিম্বাণুর সংখ্যা কমতে থাকে এবং ৩৫ বছর বয়সের পর তা আরও দ্রুতগতিতে কমতে থাকে।
পরিমাণ কীভাবে বোঝা সম্ভব
ট্রান্সভ্যাজাইনাল আলট্রাসনোগ্রাম করে মাসিক চলাকালে অ্যান্ট্রাল ফলিকুলার কাউন্ট (এএফসি) দেখা।
অ্যান্টি–মুলারিয়ান হরমোন (এএমএইচ) পরিমাপ করে।
মাসিক চলাকালে এফএসএইচ, এলএইচ ও ইস্ট্রোজেন ২ হরমোন পরিমাপ করে।
কখন অস্বাভাবিক গতিতে কমে
বয়সের সঙ্গে সঙ্গে ডিম্বাণুর সংখ্যা কমে যাওয়া একটি প্রকৃতি নির্ধারিত বিষয় হলেও কখনো কখনো অস্বাভাবিক হারে বা দ্রুতগতিতে ডিম্বাণু কমতে দেখা যায়। যেমন
ওভারি (ডিম্বাশয়) বা ফেলোপিয়ান টিউবের কোনো অস্ত্রোপচার, সিস্ট ফেলে দেওয়া বা ওভারিতে ড্রিলিং করার পর। ক্যানসারের চিকিৎসায়। শরীরে কোনো অটো অ্যান্টিবডি উপস্থিতি, বিশেষত থাইরয়েড অ্যান্টিবডি ও অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস থাকলে ডিম্বাণুর সংখ্যার ওপর প্রভাব ফেলে। কোনো কোনো জেনেটিক রোগ ডিম্বাণুর সংখ্যা তাড়াতাড়ি কমিয়ে দিতে পারে। পরিবারের কোনো সদস্যের সময়ের আগেই মাসিক বন্ধের ইতিহাস থাকলে।
সংখ্যা ও গুণগত মান কমলে করণীয়
দ্রুত সন্তান ধারণের জন্য আইইউআই বা আইভিএফ চিকিৎসার সহায়তা নেওয়া লাগতে পারে। এ ধরনের চিকিৎসা বাংলাদেশেই সফলভাবে হচ্ছে। তবে মনে রাখতে হবে, এ ধরনের চিকিৎসা ব্যর্থ হলেও স্বাভাবিক উপায়ে গর্ভধারণের সম্ভাবনা কখনো নিঃশেষ হয় না। ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে, ধারাবাহিকভাবে ধৈর্য ধরে চিকিৎসা নিলে সফল হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।
ডা. শাহীনা বেগম, সিনিয়র কনসালট্যান্ট, ইনফার্টিলিটি ও আইভিএফ, বিআরবি হাসপাতাল








