স্টার্টআপ, উদ্যোক্তা তৈরি ও উদ্ভাবনে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার

20 September, 2026

প্রকাশের সময়: 05:15 pm, 20th Sep, 2026

সর্বশেষ আপডেট: 05:15 pm, 20th Sep, 2026

স্টার্টআপ, উদ্যোক্তা তৈরি ও উদ্ভাবনে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার তরুণদের স্টার্টআপ, উদ্যোক্তা তৈরি ও উদ্ভাবনে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।

তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে জাতীয় স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা প্ল্যাটফর্ম চালু করা হয়েছে এবং উদ্ভাবনী উদ্যোগে সহায়তার জন্য ৫শ কোটি টাকার স্টার্টআপ ফান্ডও গঠন করা হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের সরকারের দেওয়া এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে স্টার্টআপ প্রকল্পে আত্মনিয়োগের আহ্বান জানান।

রাজধানীর বেইলি রোডের ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ‘ভিকারুননিসা নূন অ্যাস্ট্রোনমি ক্লাব (ভিএনএসি)’ আয়োজিত ‘থার্ড ইন্টার অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অ্যাপোজি ২০২৬’ শীর্ষক বিজ্ঞান ও জ্যোতির্বিজ্ঞানবিষয়ক ৩ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার সমাপনী অনুষ্ঠানে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর)  প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।

মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘অ্যাস্ট্রোনমি ক্লাব’ থেকে আগামী ৫ বছরে তোমাদের মধ্য থেকে এমন তরুণী উঠে আসুক, যারা শুধু অ্যাস্ট্রোনমি অলিম্পিয়াড-এ পুরস্কার জিতবে না; বরং নিজের হাতে স্যাটেলাইটের মডেল তৈরি করবে, কার্যকর ড্রোন বানাবে, নতুন সেন্সর উদ্ভাবন করবে, পেটেন্ট করবে এবং স্টার্টআপ গড়ে তুলবে। তোমাদের উদ্ভাবন হোক বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণে।

এ সময় তিনি বলেন, মানুষের জীবনকে আরো নিরাপদ, সহজ ও সুন্দর করতে উদ্ভাবনী প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করতে হবে। শিক্ষা, কৃষি, স্বাস্থ্য, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ ও যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন সমাধান খুঁজে বের করতে হবে। 

উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, ঘনবসতিপূর্ণ ঢাকায় ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে অগ্নিনির্বাপণ, বন্যার পূর্বাভাস ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি করা যেতে পারে।

তিনি বলেন, তিনি এমন একটি দিনের স্বপ্ন দেখেন, যেদিন ভিকারুননিসার শিক্ষার্থীরা ড্রোনের মাধ্যমে অগ্নিনির্বাপণে মানুষের পাশে দাঁড়াবে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, কেউ লো-অরবিট স্যাটেলাইট নিয়ে কাজ করবে, কেউ তৈরি করবে কৃষি কাজে ব্যবহারের ড্রোন বা বন্যা পর্যবেক্ষণকারী ড্রোন।

কেউ এমন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ব্যবস্থা তৈরি করবে, যা বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ের আগাম তথ্য দিতে পারে; কেউ তৈরি করবে দূষিত পানি শনাক্ত করার সেন্সর। আবার এমন প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন করতে হবে, যা গ্রামের কৃষকের জীবন ও কৃষিকাজকে আরো সহজ করবে।

উল্লেখ্য, এ উৎসবে নটরডেম কলেজ, হলিক্রস কলেজসহ ঢাকা মহানগরীর ১৫টি শীর্ষস্থানীয় কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাজেদা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজসহ ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন!