আসছে সোনিয়ার আত্মজীবনী ‘বিলংগিং: আ জার্নি অব লাভ’

24 October, 2026

প্রকাশের সময়: 09:50 pm, 24th Oct, 2026

সর্বশেষ আপডেট: 09:52 pm, 24th Oct, 2026

১৯৬৫ সাল। ইংল্যান্ডের কেমব্রিজের এক ছোট গ্রিক রেস্তোরাঁ ‘দ্য ভার্সিটি’। সেখানে এক ভারতীয় বন্ধুর মাধ্যমে রাজীব গান্ধীর সঙ্গে প্রথম দেখা হয়েছিল সোনিয়া গান্ধীর। তখন থেকেই শুরু তাদের রূপকথার মতো ভালোবাসার গল্প। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের প্রথম পোস্ট ও ভিডিও শেয়ার করে সেই পুরনো দিনের কথা এভাবেই সবার সামনে এনেছেন সোনিয়া।

আসন্ন আত্মজীবনীমূলক বই ‘বিলংগিং: আ জার্নি অব লাভ’ প্রকাশের ঠিক আগে এই স্মৃতিকথা শেয়ার করেছেন তিনি। আগামী ১০ নভেম্বর আলোর মুখ দেখতে যাওয়া এই বইটি প্রকাশ করছে বিশ্বখ্যাত প্রকাশনা সংস্থা ‘আলফ্রেড এ নোফ’ এবং ভারতের ‘হার্পারকলিন্স’। ৫৪৪ পৃষ্ঠার এই বইটিতে সোনিয়ার শৈশব থেকে শুরু করে রাজীব গান্ধীর সঙ্গে প্রেম, ব্যক্তিগত জীবনের নানা চড়াই-উতরাই এবং পরবর্তী সময়ে ভারতের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ার গল্প তুলে ধরা হয়েছে।

রাজীব গান্ধীর সঙ্গে প্রথম দেখার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে সোনিয়া জানান, সে সময় ইংল্যান্ডে ভালো খাবার পাওয়া বেশ কঠিন ছিল। খুঁজতে খুঁজতে তিনি এমন একটি গ্রিক রেস্তোরাঁর সন্ধান পান, যেখানে প্রায়ই ভারতীয় ও ইতালীয় শিক্ষার্থীরা আসতেন। সেখানেই এক কমন বন্ধুর মাধ্যমে রাজীবের সঙ্গে পরিচয় হয় তার।

রাজীবকে প্রথম দেখার অনুভূতি কেমন ছিল, তা বলতে গিয়ে সোনিয়া বলেন, রাজীবকে দেখার সঙ্গে সঙ্গেই তার মনে হয়েছিল মানুষটি অন্যরকম এবং তার সঙ্গেই জীবন কাটানো উচিত। পরে তিনি জানতে পারেন রাজীবেরও একই অনুভূতি হয়েছিল। পরিচয়ের পর তারা বন্ধু হন এবং একসঙ্গে বিভিন্ন পার্টিতে যাতায়াত শুরু করেন।

রাজীবের ব্যক্তিত্বের প্রশংসা করে সোনিয়া আরও জানান, রাজীব যেমন দারুণ সুদর্শন ছিলেন, তেমনি তার স্বভাবের ভেতরে ছিল এক অদ্ভুত নম্রতা। তার সেই শান্ত ও ভদ্র আচরণই সোনিয়ার মন কেড়ে নিয়েছিল, যা তিনি আজও ভোলেননি।

উল্লেখ্য, এই স্মৃতির কথা জানানোর মাধ্যমেই মূলত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’ (টুইটার)-এ নিজের অভিষেক ঘটিয়েছেন সোনিয়া। এর আগে গত বৃহস্পতিবার তিনি ইনস্টাগ্রামেও পা রাখেন। ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি বইটির প্রথম কপি হাতে পেয়ে মেয়ে ও কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর সঙ্গে মিষ্টিমুখ করে আনন্দে একে অপরকে জড়িয়ে ধরছেন।

সূত্র: এনডিটিভি

শেয়ার করুন!